পরকীয়া প্রেমের জের, প্রবাসীর স্ত্রী অন্তঃসত্তা

পরকীয়া প্রেমের জের, প্রবাসীর স্ত্রী অন্তঃসত্তা
April 06 14:21 2017 Print This Article

বকুলের বাবা রিকাত আলী জানান, ৭ বছর আগে বিদেশে গিয়েত্তা

মেহেরপুর প্রতিনিধি ঃ স্বামী থাকে বিদেশে। দেহ-মন শোনে কার বারণ। পরকীয়া প্রেমের জের ধরে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার অলিনগর  গ্রামে কাকলী খাতুন নামের এক প্রবাসি যুবকের  স্ত্রী  ৭ মাসের অন্তঃসহয়ে পড়েছে। সে অলিনগর গ্রামের রিকাত আলীর ছেলে বকুলের স্ত্রী।

ছে বকুল এর মধ্যে ২ বছর পৃর্বে সে  বাড়ি এসে ৪ মাস ছিল পরে আবার বিদেশ চলে গেছে । সেই থেকে আর দেশে ফেরা হয়নি তার। হ্ঠাৎ করেই তিনি জানতে পারেন তার পুত্রবধু কাকলী অন্তঃসত্তা। এখন তার গর্ভে ৭ মাসের সন্তান। এ বিষয়ে  জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, একই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে সিহাবের সাথে তার পুত্রবধু কাকলীর মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কাকলীর গর্ভে থাকা সন্তান তারই ফসল ।

স্থানীয়রা জানান, বকুল বিদেশে যাওয়ার পর থেকে দুজনের মধ্যে পরোকিয়া সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। এ ঘটনায় কাকলী সিহাবকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকলে এক পর্যায়ে বিয়ের আশ^াস দিয়ে কাকলীকে তার স্বামীর বাড়ি থেকে সিহাবের মামা আমজাদ হোসেনের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে রাখে। সেখানে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে কাকলীর গর্ভে থাকা ৭ মাসের সন্তানটিকে হত্যা করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে সিহাবের পরিবার। গর্ভের সন্তানকে নষ্ট করার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে কাকলীর ওপর।

গর্ভপাত ঘটাতে রাজী না হওয়ায় কাকলীকে শারীরিকভাবে নির্যাতনও  করা হচ্ছে। এব্যপারে আমজাদ হোসেন এর  সাথে মোবাইল  ফোনে যোগাযোগ করা হলে  তিনি ভিন্নখাতে প্রাভাহিত করার অপ চেষ্টা করছে । বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের   ইউপি সদস্য জিয়া জানান ,আমি গ্রাম্ম ভাবে বিষয়টি শুনেছি সামাজিক ভাবে দুই পক্ষের কেউ কিছু  বলেনি তবে এঘটনার বিচার হওয়ার দরকার ।

গাংনী থানার (ওসি) তদন্ত এস, এম, কাফরুজ্জামান জানান,বিষয়টি শুনেছি সে খানে পুলিশ তদন্ত করছে তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এমুহূর্তে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

view more articles

About Article Author

write a comment

0 Comments

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

Add a Comment

Your data will be safe! Your e-mail address will not be published. Also other data will not be shared with third person.
All fields are required.