বাংলার মানুষের রক্তের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা

বাংলার মানুষের রক্তের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা
March 15 14:53 2017 Print This Article
‘রক্ত দেওয়াই যদি স্বাধীনতার মূল্য হয়, তাহলে বাংলাদেশের মানুষকে সেই মূল্যের চেয়েও বেশি দিতে হয়েছে’। এ কথা একাত্তরের মার্চের পর লেখা হয়েছিল বিদেশি মিডিয়ায়। মার্চ মাস বাংলাদেশের নর-নারী, আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার স্মরণে দীর্ঘ এক সংগ্রামের ইতিহাস, যার পরিক্রমায় একের পর এক রক্তক্ষয়ী আন্দোলন শেষে শুরু হয় স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ। এই ইতিহাস বাংলাদেশের মানুষের ত্যাগের, সাহসের এবং দৃঢ় সংকল্পের।
১৯৪৭-এ যখন উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা হলো। বাংলাদেশের মানুষ সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েও বঞ্চিত থাকল ন্যায্য অধিকার লাভের সুযোগ থেকে। প্রথমেই এলো বাংলা ভাষার ওপর আক্রমণ, পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকচক্র নিজেদের আধিপত্য সুরক্ষার উদ্দেশ্যে। ১৯৪৮ সালে ঘোষণা করল, ‘উর্দুই হবে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা’। সঙ্গে সঙ্গে গর্জে উঠল বাংলাদেশের মানুষ জনসভায়, রাস্তার মিছিলে— ছাত্র-জনতার বজ্রমুষ্ঠি ওপরে তুলে বজ্রনির্মোঘ উচ্চারণ করল, ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’। তাদের এই ‘দুর্বিনীত’ সাহসের জন্য  শিকার হতে হলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার নির্যাতনের, যেতে হলো জেলে। তবুও দাবি স্তব্ধ করা গেল না। ছাত্র-জনতার আন্দোলন এগিয়ে চলল দুর্বার গতিতে।
বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার দাবি তুঙ্গ স্পর্শ করল ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বের হলো ছাত্র-জনতার মিছিল। লাঠিচার্জ করেও দমন করা গেল না রাজপথে গর্জে ওঠা মানুষের সমুদ্র। অবাঙালি কর্মকর্তার নির্দেশে পুলিশ গুলিবর্ষণ করল সংগ্রামী জনতাকে প্রতিহত করতে।
  Article "tagged" as:
  Categories:
view more articles

About Article Author

write a comment

0 Comments

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

Add a Comment

Your data will be safe! Your e-mail address will not be published. Also other data will not be shared with third person.
All fields are required.