যশোরের চুরির অপবাদ দিয়ে যুবককে বেঁধে নির্যাতন

যশোরের  চুরির অপবাদ দিয়ে যুবককে বেঁধে নির্যাতন
March 22 15:17 2017

কেশবপুর (যশোর) : যশোরের কেশবপুরে চুরির অপবাদ দিয়ে এক যুবককে বেঁধে মধ্যযুগিয় নির্যাতন চালানো হয়েছে।

গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নির্যাতিত যুবক ইমরান হোসেন এর পরিবার ঘটনার বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দাখিল করেছে।জানা গেছে, কেশবপুর উপজেলার ভেরচি গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে ইমরাম হোসেন (২০) ভেরচি বিলে তার নিজস্ব ২ বিঘা জমিতে মৎস্য খামার করে মাছ চাষ করে আসছে।

গত ২০ ফেব্রুয়ারী রাতে পাশ্ববর্তী ঘের মালিক হাসান আলী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইমরান হোসেনকে তার ঘেরপাড়ে ডেকে নিয়ে যায়। এ সময় ঘের মালিক আবুল কালামের ঘের এর মাছ চুরির অপবাদ দিয়ে এলাকার মফিজ, মোস্তফা, হাফিজুর, কামরুলসহ ১০/১২ জন যুবক মাছ চুরির স্বীকারোক্তি আদায়ে ইমরান হোসেনকে মারপিট করে ঘেরের পানিতে চুবিয়ে সমস্ত রাত বেঁধে রেখে নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ।

নির্যাতিতর পিতা মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলেকে তারা হাত, পা বেঁধে কুড়ালের আছাড় দিয়ে পায়ের তলা, গুড়ালি ও গিটে মধ্যযুগিয় কায়দায় পিটিয়েছে, তার দুপা ফুলে গেছে। চলাফেরা করতে পারছে না। বর্তমান হাসপাতালে যন্ত্রণায় ছটফট করছে। বিষয়টি নিয়ে পরের দিন ২১ ফেব্রুয়ারী সকালে সারুটিয়া ঈদগাহ ময়দানে চেয়ারম্যান এইচএম হাবিবের নেতৃত্বে এক সালিসি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এ সময় সালিসে তার ছেলেকে চোর সনাক্ত করে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান এইচএম হাবিব সাংবাদিকদের জানান, ইমরান হোসেন চোর প্রমানিত হওয়ায় তাকে গনপিটুনি দিয়েছে শুনেছি। সে ওই বিলের অনেক ঘেরে বিষ ট্যাবলেট দিয়ে মাছ চুরি করে ক্ষতিসাধন করে আসছিল। গ্রাম্য সালিসে ক্ষতিপূরণ হিসেবে তাকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কেশবপুর থানার ওসি সহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনাটি আমাকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে  তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  Article "tagged" as:
  Categories:
write a comment

0 Comments

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

Add a Comment

Your data will be safe! Your e-mail address will not be published. Also other data will not be shared with third person.
All fields are required.