গোপালগঞ্জ সংবাদ

গোপালগঞ্জ সংবাদ
March 06 13:14 2017

বিউটি পার্লারের কার্যক্রম বন্ধ-
বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির দুর্নীতির সংবাদে গোপালগঞ্জে তোলপাড়
এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাস ভবনে বিউটি পার্লারের কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। সৌন্দর্য পিয়াসী রমণীদের আনাগোনায় মুখরিত বিউটি পার্লারের প্রতিদিনের সেই চিত্র সোমবার ছিল অনুপস্থিত।
সোমবার বিভিন্ন জাতীয় ও অনলাইনে ভিসির দুর্নীতি ও অনিয়মের সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর মুহূর্তের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরের চিত্র পাল্টে যেতে থাকে। ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে দেখা যায় উচ্ছাস। গোপালগঞ্জে টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয় সংবাদটি।
এদিকে সকাল থেকে প্রেস ক্লাব সংলগ্ন পত্রিকা এজেন্টের দোকানে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংবাদ আসা বিভিন্ন পত্রিকা কিনতে দেখা যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এজেন্টের কাছে ওই সকল পত্রিকার সংকট দেখা দেয়। এ সময় অনেকেই পত্রিকা না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। ফটোস্ট্যাটের দোকানে গিয়ে রিপোর্টের ফটোকপি করেন অনেকেই।
দিনভর ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্ট ও লাইব্রেরিতে ভিসির বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে চলে শিক্ষার্থীদের আলোচনা-সমালোচনা। সংবাদটি ভাইরাল হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডে বয়ে যায় নানা প্রতিক্রিয়া ও নিন্দার ঝড়। এ সবের মধ্যে জাতির জনকের নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণœ রাখাসহ দুর্নীতিবাজ ভিসির অপসারণ দাবি করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান জরুরী-
গোপালগঞ্জে ৪০টি ইটভাটায় দিন রাত জ্বলছে কাঠ : প্রশাসন নীরব দর্শক
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ জেলার ৫টি উপজেলার ৪০টি ইট ভাটায় কয়লার পরিবর্তে পুড়ছে কাঠ। মানা হচ্ছে না ইট পোড়ানো নীতিমালা। অধিকাংশ ভাটার সামনে অল্প কিছু কয়লা রেখে ভেতরে চলছে কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানোর মহাউৎস। এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অধিকাংশ ভাটা ফসলি জমি, বনজ ফলজ বাগান বা আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠেছে। বেশির ভাগ ভাটায় নেই পরিবেশ সম্মত উঁচু জিগজ্যাগ চিমনি। ইট ভাটার কালো ধোঁয়া গাছপালা, পশুপাখি ও জনস্বাস্থ্যের ওপর বিরুপ প্রভাব ফেলছে। সেই সাথে হ্রাস পাচ্ছে ফসলি জমির উর্বরতা শক্তি।
ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ সংশোধিত আইন ২০১৩-এর ৫৯নং আইনের ৬ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ইট পোড়ানোর কাজে জ্বালানী হিসেবে কাঠ ব্যবহার করতে পারবেন না। কেউ এ বিধান লংঘন করলে অনধিক ৩ বছরের কারাদন্ড বা অনধিক তিন লক্ষ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন তিনি। ৮ (৩) ধারার কৃষি জমি, বাগান, জলাভূমি, অভয়ারণ্য, বনাঞ্চলের ২ কিলোমিটারের মধ্যে কাঁচা-পাকা সড়কের আধা কিলোমিটারের মধ্যে ভাটা স্থাপন করা হলে স্থাপনকারীর ৫ বছরের কারাদন্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন। অথচ এ সব আইন জেলার কোন ইট ভাটা মালিক মানছেন না।
গতকাল সরেজমিনে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পুকুরিয়া এলাকার সুপার ব্রিক্সস, সোহাগ ব্রিক্সস, খান ব্রিক্সস, মেসার্স ভিভিপি ব্রিক্সস, মেসার্স জেড বি আই ব্রিক্সস, হাসেম ব্রিক্সস, স্টার ভাই ভাই ব্রিক্সস -১, স্টার ভাই ভাই ব্রিক্সস -২ সহ বেশ কয়েকটি ইটভাটা ঘুরে দেখা গেছে বিশাল বিশাল কাঠের স্তুপ। এ সব ভাটায় প্রতিদিন প্রায় ৪শ’ থেকে ৬শ’ মণ কাঠ পুড়ছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও এই সকল ইট ভাটায় শিশু শ্রমিকের সংখ্যাও লক্ষনিও। পুকুরিয়ার সুপার ব্রিক্সসে প্রায় অর্ধশত শিশু শ্রমিককে দেখা যায় কাঠ কেটে জ্বালানি হিসেবে প্রস্তুত করছে। কেউ কেউ ইট সরবরাহ করার কাজেও নিয়োজিত।
খান ব্রিক্সসের মালিক ইসাবুল খান ও মিলন মোল্লা কাঠ পোড়ানোর কথা স্বীকার করে বলেন, বর্তমানে কয়লা পাওয়া যাচ্ছে না। তাই কয়লার বদলে আমরা কাঠ পোড়াচ্ছি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে গোপালগঞ্জ জেলা ইটভাটা মালিক সমিতির এক নেতা জানান, জেলায় মোট ৬৭টি ইট ভাটা রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ৩টিতে রয়েছে পরিবেশ সম্মত জিগজ্যাগ চিমনি। বাকীগুলো পরিবেশ সম্মত জিগজ্যাগ চিমনি ছাড়াই চলছে। তিনি কাঠ পোড়ানোর কথা স্বীকার করে আরো বলেন, বর্তমানে গোপালগঞ্জে পর্যাপ্ত পরিমাণে কয়লার সরবরাহ না থাকায় ইট ভাটায় বর্তমানে কাঠ ব্যবহার করা হচ্ছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর ফরিদপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বলেন, ফসলি জমিতে ইট ভাটা করার কোনো লাইসেন্স বা ছাড়পত্র দেয়া হয় না। যদি এ রকম কেউ করে থাকে তবে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান সরকার বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি, খুব শিঘ্রই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নীতিমালা না মেনে ইট ভাটায় কয়লার পরিবর্তে পুড়ছে কাঠ পুড়ানোর ব্যাপারে উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রাসহ অভিজ্ঞ মহল।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি দখলের পাঁয়তারা আতংকে অর্ধ শতাধিক হিন্দু পরিবার
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে হিন্দুদের জমি দখলের পাঁয়তারা করছেন বলে স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ওই ব্যক্তি লোকজন নিয়ে হিন্দুদের বাড়িতে গিয়ে নানা ধরণের হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। এতে ওই এলাকার প্রায় অর্ধ শতাধিক হিন্দু পরিবার বর্তমানে চরম আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন স্থানীয় হিন্দুরা।
ভূক্তভোগীদের অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, কাশিয়ানী উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের প্রভাবশালী দেদার হোসেন মাহমুদপুর বিলে সামান্য কিছু জমি কিনে বিল জুড়ে ‘মাদবর এ্যাগ্রো ফিশারিজ’ নামে একটি সাইন বোর্ড টানিয়ে স্থানীয় হিন্দুদের জমি দখলের চেষ্টা করেন এবং হিন্দুদের জমি চাষাবাদ করতে বাঁধা প্রদান করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষতিগ্রস্থ সংখ্যালঘু জমির মালিকরা ফুঁসে উঠেছে। তারা বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও মানববন্ধন অব্যাহত ভাবে করতে থাকেন।
এক পর্যায়ে তৎকালীন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: খলিলুর রহমান তাঁর সম্মেলন কক্ষে তৎকালীন কাশিয়ানীর ইউএনও মো: মনিরুজ্জামান, জেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে দেদার হোসেন সাধারণ জনগণের জমি ভিতরে রেখে পুকুর বা ঘের কাটতে পারবে না, চাষযোগ্য জমি নষ্ট করে কোন কিছু করতে পারবে না, হিন্দুদের ভয়ভীতি এবং পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করতে হুমকি-ধামকি দিতে পারবেন না বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
কিন্তু জেলা প্রশাসক মো: খলিলুর রহমান বদলি হওয়ার সাথে সাথে বর্তমানে দেদার হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে লোকজন নিয়ে আবারও গ্রামের হিন্দুদের প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। এছাড়া নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আবারও সংখ্যালঘু হিন্দুদের জমি দখল করে মৎস্য ঘের করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে হিন্দুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। এতে ওই গ্রামের প্রায় অর্ধ শতাধিক হিন্দু পরিবার চরম আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। আবার অনেকে ভয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে গেছেন বলেও জানা গেছে।
এ ছাড়াও মাহমুদপুর গ্রামের প্রভাত বিশ্বাস ও তার ভাই পরিমল বিশ্বাস ভয়ে জায়গা-জমি বিক্রি করে গত এক মাস আগে ভারতে চলে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আশীষ কুমার মিস্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, দিদার হোসেন ৪০/৫০ জন লোক নিয়ে আমার বাড়িতে গিয়ে তার কাছে আমার জমি বিক্রির জন্য চাপ দেয়। তার কাছে আমার জমি বিক্রি না করলে দেশ ছেড়ে স্বপরিবারে ভারত চলে যেতে হবে বলে হুমকি দিচ্ছে।
ওই গ্রামের শচীন্দ্রনাথ রায় বলেন, আমার জমি আমি চাষাবাদ করবো, দেদার হোসেন শুধু জমির মালিক থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ বিঘা জমি খরিদ করেন। জমি রেজিষ্ট্রারী করে দেয়ার পর লোকজন নিয়ে আমার বাড়িতে গিয়ে জমির কাছে না যাওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে দেদার হোসেন।
এ ব্যাপারে মাহমুদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদ রানা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ওই এলাকার পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক আছে, তবে আমি বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করছি।
এ ব্যাপারে দেদার হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি কোন হিন্দু বাড়ীতে যাইনি এবং কাউকে হুমকি দেয়নি। এলাকার কিছু স্বার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমি দেখবো এবং সমাধান করে দেয়ার চেষ্টা করবো।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টায় মামলা
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার ওই গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে মামলাটি করেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, উপজেলার ফলসি গ্রামের বোরহান সরদারের স্ত্রী ও এক সন্তানের জননীকে দীর্ঘ দিন ধরে একই গ্রামের রাসেল মোল্যা ও তারিকুল ইসলাম নানা ধরণের কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল।
গত ১ মার্চ ওই গৃহবধূ অন্যান্য দিনের মতো খাওয়া-দাওয়া শেষ করে ৮ মাসের শিশু সন্তানকে নিয়ে নিজ ঘরে একা ঘুমিয়ে ছিলেন। তার স্বামী রাজ মিস্ত্রীর কাজ করেন বলে ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন না। রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ওই দুই ব্যক্তিসহ বেশ কয়েকজন লোক ওই গৃহবধূর ঘরে কৌশলে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ওই গৃহবধূ ও তার শিশু সন্তানকে বেধড়ক মারধর করে এবং মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
এ সময় গৃহবধূর আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বখাটেরা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূ ও তার সন্তানকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে স্বজনরা। বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে মামলা না করার জন্য ওই গৃহবধূর পরিবারকে নানা ধরণের ভয়ভীতি দেখায়।
এ ঘটনায় রোববার ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৭ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলীনুর হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গোপালগঞ্জে রঘুনাথপুর দীননাথ উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর দীননাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান গতকাল সোমবার স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান সরোজ কান্তি বিশ্বাস।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রঘুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শ্রীবাস বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন সার্ভে কোর্স প্রশিক্ষক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব বিষ্ণুপদ বিশ্বাস ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলম সরদার। সহকারী শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ দাসের পরিচালনায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক সুশান্ত কুমার বিশ্বাস, শরীরচর্চা শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাস, সহকারী শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ ওঝা প্রমুখ।
প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি এবং শিক্ষকবৃন্দ। এছাড়া বিশেষ অতিথি বিষ্ণুপদ বিশ্বাস বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাসে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান, অষ্টম শ্রেণিতে এ প্লাস পাওয়া শিক্ষার্থীদের ও শিক্ষক অতিথিদের মাঝে নিজস্ব অর্থায়নে পুরস্কার প্রদান করেন।

write a comment

0 Comments

No Comments Yet!

You can be the one to start a conversation.

Add a Comment

Your data will be safe! Your e-mail address will not be published. Also other data will not be shared with third person.
All fields are required.